শিরোনামঃ
নবনির্বাচিত সাংসদ আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ আফগানিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য উপমন্ত্রী ঢাকায় আবুল কালাম আযাদের আত্মসমর্পণের আবেদন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই সনদের প্রতি ইতালির সমর্থন পদ্মা সেতুতে টোল থেকে আয় ৩ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবার সাময়িক সরিয়ে নিচ্ছে ভারত ভেঙেই চলেছে রেকর্ড, ৪ হাজার ৮০০ ডলারের মাইলফলকে সোনার আউন্স যেভাবেই হোক ভোটের আগে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন টিকে থাকা নয়, বরং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা : জামায়াত আমির জিয়াউর রহমান শিক্ষার প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন: মেয়র শাহাদাত
রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৫ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

আগামীর চট্টগ্রামকে গ্রীন সিটি করতে ১০ লক্ষ গাছ লাগানো হচ্ছে : চসিক মেয়র ডাক্তার শাহাদাত

শাহীন মাহমুদ ◾স্টাফ রিপোর্টার / ২০১ Time View
শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫

◾শাহীন মাহমুদ▪️ স্টাফ রিপোর্টার

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে ১০ লক্ষ গাছ রোপণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

বৃহস্পতিবার রেডিসন ব্লু হোটেলের সামনে চসিকের শীতকালীন বৃক্ষ পরিচর্যা কার্যক্রম উদ্বোধনকালে এ তথ্য জানান মেয়র। কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নগরীর বিভিন্ন সড়ক ও মিডআইল্যন্ডের গাছের পরিচর্যা নেয়া হচ্ছে এবং বিভিন্ন স্থানে নতুন গাছ লাগানো হচ্ছে।
সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেন, ক্লিন ও গ্রিন চট্টগ্রাম গড়ার লক্ষ্যে চট্টগ্রামে পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে ১০ লক্ষ গাছ রোপণে কাজ করছি। নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ডকে সবুজায়নের মাধ্যমে সৌন্দর্যমণ্ডিত করার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনকেও কাজে লাগানো হচ্ছে সবুজায়নে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং পাহাড়ি অঞ্চলগুলির জন্য পরিচিত, তাই এখানে গাছের গুরুত্ব আরও বেশি। শহরের দ্রুত বৃদ্ধির সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকার গাছপালা শুধু পরিবেশের সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, তা ভূমি ক্ষয় রোধ, বন্যা ও ভূমিধস প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিশেষ করে নগরীর আশপাশের বনভূমি ও সবুজ অঞ্চলগুলি রক্ষা করা, নদী ও সমুদ্রের তীরবর্তী এলাকায় গাছ রোপণ করা, এই সব উদ্যোগ চট্টগ্রামের পরিবেশ ও বাসযোগ্যতা উন্নত করতে সহায়তা করবে। গাছ কেবল পরিবেশের শোভা নয়, চট্টগ্রামের মানুষের জীবনযাত্রারও একটি অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ এটি শহরের জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং নিঃসন্দেহে চট্টগ্রামকে আরও সবুজ, নিরাপদ এবং বাসযোগ্য করে তোলে।
মেয়র বলেন, আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা করতে হবে, তাই বন উজাড়, পাহাড় কাটা এবং গাছ কাটা থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের কর্মকাণ্ড রোধে শক্তিশালী আইন প্রণয়ন এবং তার কঠোর বাস্তবায়ন জরুরি। উদাহরণস্বরূপ, কানাডার টরন্টো শহরে অনুমতি ছাড়া গাছ কাটলে ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়। আমাদের দেশেও এমন শাস্তির বিধান থাকা প্রয়োজন, যাতে পরিবেশের ক্ষতি কমানো যায় এবং প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক শক্তিশালী হয়।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category