শিরোনামঃ
র‌্যাবের গুমঘর পরিদর্শনের অনুমতি পেলেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অধ্যাদেশ জারি : হাওর-জলাভূমি দখল ও অবৈধ মাছ শিকারে জরিমানা ১০ লাখ  কাতারের সামরিক ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিত ১২ ফেব্রুয়ারিই নির্বাচন, একদিন আগেও না পরেও না: প্রধান উপদেষ্টা বিশ্বকাপ ট্রফি এখন বাংলাদেশে ইরান বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দিলে ‘খুব কঠোর পদক্ষেপ’ নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প বিএনপি আমলে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি: মেয়র শাহাদাত গুলি-বিস্ফোরণ আতঙ্কে টেকনাফবাসী, রাত হলেই উৎকণ্ঠা জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২৯ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

র‌্যাবের গুমঘর পরিদর্শনের অনুমতি পেলেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা

ঢাকা অফিস :: / ১ Time View
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

 

র‌্যাবের গুমঘর হিসেবে পরিচিত টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল পরিদর্শনে যাবেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আদেশ দেন। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করে এমন তথ্য জানান সাত সেনা কর্মকর্তার আইনজীবী তাবারক হোসেন।

 

আইনজীবী তাবারক হোসেন বলেন, আনুষ্ঠানিক অভিযোগে উল্লিখিত ঘটনাস্থল পরিদর্শনের জন্য আমরা আবেদন করেছিলাম। আদালত সেটি মঞ্জুর করেছেন। আদালত আমাদের পক্ষে অনুমতি দিলেও প্রসিকিউশন জানিয়েছে তারাও আমাদের সঙ্গে যেতে চায়, তাতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই যদি ডিফেন্সের কাজে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়। প্রসিকিউশনের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আমরা এই পরিদর্শনে যাওয়ার একটি সময়সীমা ধরে নিয়েছি।

 

 

টিএফআই সেলে গুমের দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় গত বছরের ২২ ডিসেম্বর পাঁচটি অভিযোগ গঠন করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ আদেশ দেন। অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলায় আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার শুরু হয়। টিএফআই সেলে গুমের ঘটনায় ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন গ্রেফতার হয়েছেন, তারা সেনা কর্মকর্তা। গ্রেফতার ১০ জনের মধ্যে সাতজনের আইনজীবী তাবারক হোসেন।

 

প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে বিরোধী মতাদর্শ এবং প্রতিপক্ষকে দমনের কৌশল নেয় শেখ হাসিনার সরকার। পথের কাঁটা দূর করতে ব্যাপক পরিসরে লক্ষ্য নিয়ে পদ্ধতিগতভাবে শুরু হয় ক্রসফায়ার এবং এর নামে হত্যা। চলে গুম করে হত্যা, অপহরণ, গোপন স্থানে আটক রেখে নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধ।

 

২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সারা দেশব্যাপী এই অপরাধ সংঘটিত হয়। সদর দপ্তরসহ র‍্যাবের বিভিন্ন ব্যাটালিয়নে গড়ে তোলা হয় গোপন বন্দিশালা, নির্যাতন কেন্দ্র। রাজধানীর উত্তরায় র‍্যাব-১ ব্যাটালিয়নের কম্পাউন্ডে পুরোনো অস্ত্রাগার সংলগ্ন দ্বিতল ভবনে ছিল টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category