শিরোনামঃ
তরুণ সমাজের স্বপ্নদ্রষ্টা মানবিক কামরুল কায়েস চৌধুরী আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের উদ্যোগে বিশেষ আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সারথি ২০০০ চট্টগ্রাম সংগঠনের পথচলার শপথ গ্রহণ নবনির্বাচিত সাংসদ আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ আফগানিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য উপমন্ত্রী ঢাকায় আবুল কালাম আযাদের আত্মসমর্পণের আবেদন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই সনদের প্রতি ইতালির সমর্থন পদ্মা সেতুতে টোল থেকে আয় ৩ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবার সাময়িক সরিয়ে নিচ্ছে ভারত ভেঙেই চলেছে রেকর্ড, ৪ হাজার ৮০০ ডলারের মাইলফলকে সোনার আউন্স
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

১৫ হাজার কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকা দেওয়া হবে: মেয়র শাহাদাত

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট :: / ৭২ Time View
সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬

‘আমরা চট্টগ্রাম শহরকে একটি ক্লিন, গ্রিন, হেলদি অ্যান্ড সেফ সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি। এ লক্ষ্যে জনস্বাস্থ্যকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নগরে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধি, কুকুরের কামড় এবং জলাতঙ্ক রোগ নিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগ রয়েছে। এসব সমস্যা মানবিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সমাধান করতেই আমরা কুকুর নিধনের পথ পরিহার করে ভ্যাকসিনেশনের উদ্যোগ নিয়েছি।

 

সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ১৫ হাজার বেওয়ারিশ কুকুরকে ভ্যাকসিন প্রদান কর্মসূচি উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

 

মেয়র জানান, পরিবেশগত ও আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে কুকুর নিধন সম্ভব নয়। এ কারণে ভ্যাকসিনেশনের মাধ্যমেই টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা হচ্ছে। চলতি মাসের নির্ধারিত ছয় দিনের কর্মসূচিতে নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে প্রায় ১৫ হাজার কুকুরকে জলাতঙ্কের টিকার আওতায় আনা হবে।

 

কোনো একটি এলাকায় যদি অন্তত ৭০ শতাংশ কুকুর ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আসে, তবে সেখানে ‘হার্ড ইমিউনিটি’ তৈরি হয়। এর ফলে জলাতঙ্ক ভাইরাসের বিস্তার কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এটিই আমাদের মূল লক্ষ্য।

জলাতঙ্ক রোগ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, জলাতঙ্ক অত্যন্ত প্রাণঘাতী ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত জলাতঙ্ক আক্রান্ত কুকুরের কামড় বা আঁচড়ের মাধ্যমে মানুষের শরীরে সংক্রমিত হয়।

 

তবে সব কুকুরের কামড়েই জলাতঙ্ক হয় না—ভাইরাস বহনকারী কুকুরের ক্ষেত্রেই ঝুঁকি থাকে।

তিনি জলাতঙ্ক আক্রান্ত কুকুরের সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ, লক্ষ্যহীন দৌড়াদৌড়ি, সবকিছু কামড়ানোর প্রবণতা এবং চলাফেরায় অসুবিধার কথা উল্লেখ করেন। এ ধরনের লক্ষণ দেখা গেলে সাধারণ মানুষকে ওই কুকুরের কাছ থেকে দূরে থাকার এবং তাৎক্ষণিক সিটি করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।

 

কুকুরের সঙ্গে মানুষের আচরণ সম্পর্কেও দিকনির্দেশনা দেন মেয়র। তিনি বলেন, কুকুরও প্রাণী—তাদের সঙ্গে সদাচরণ করতে হবে।

 

খাওয়ার সময়, ঘুমের সময় কিংবা বাচ্চাদের দুধ পান করানোর সময় কুকুরকে বিরক্ত করা যাবে না। কুকুর দেখলে দৌড়ানো, পাথর নিক্ষেপ করা বা চোখে চোখ রেখে তাকানো থেকে বিরত থাকা উচিত।

কোনো কুকুর তেড়ে এলে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে অন্যদিকে তাকানোর কথাও উল্লেখ করেন মেয়র।

 

মেয়র বলেন, জলাতঙ্ক শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য একটি রোগ। নিয়মিত ভ্যাকসিনেশনের মাধ্যমে পোষা কুকুর ও বিড়ালকেও নিরাপদ রাখতে হবে। এ বিষয়ে নগরবাসীর সচেতন সহযোগিতা ছাড়া আমাদের লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়।

 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইমাম হোসেন রানা, উপসচিব রাশেদা আক্তার, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা জোবাইদা আক্তার, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক হাসান আলী চৌধুরী, সিনিয়র আইনজীবী তারিক আহমেদ, কামরুল ইসলাম সাজ্জাদ, মাহমুদুল ইসলাম মারূফ, জায়েদ বিন রশিদ, জসীম উদ্দীন হিমেল, আশরাফি বিনতে মোতালেব, মোরশেদুর রহমান, ইসকান্দর আলম, কানিজ কাউসার, ইকবাল হোসেন, মুর্শিদ আলম প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category