একজন আলোকিত মানুষ..
মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত কামরুল কায়েস চৌধুরী ও কিছু কথা
অনুপমা রায়◾
জনাব মোঃ কামরুল কায়েম চৌধুরী একজন শীর্ষ আইটি ব্যবসায়ী অর্থাৎ জিএম আইটির কর্ণধার, মানবিক এবং মানবাধিকার সংগঠন পিচ ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস এর চেয়ারম্যান, রয়েল মার্ট নামক পোশাক ব্র্যান্ডের সাথে জড়িত, দক্ষিণ চট্টগ্রাম লোহাগাড়া উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চ বিদ্যালয় এর সভাপতি, হেল্পলেস স্মাইল ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান, প্রগ্রেসিভ পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এবং সিএসটিআই তথা চিটাগং সাইন্স এন্ড টেকনোলজি ইনস্টিটিউট এর সম্মানিত পরিচালক, বেলভিউ হসপিটাল এর ডাইরেক্টর এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিচয় হচ্ছে একজন আলোকিত মানুষ জনাব মোহাম্মদ কামরুল কায়েস চৌধুরী। আলোকিত কর্মময় জীবন মানে আলোকিত একজন মানুষ।
উনার বায়োগ্রাফি থেকে যেটি জানলাম উনার কর্মময় জীবনে প্রতিটি কর্মের সাথে মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত, প্রতিটি কর্মের সাথে কিভাবে মানুষের উপকার করা যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করে গেছেন অর্থাৎ ব্যবসাকে শুধু মুনাফ অর্জনের লক্ষ্য না বানিয়ে বরং মানুষের উপকার সাধনের লক্ষ্য বানিয়েছেন।
বলা হয়ে থাকে ব্যবহার আর কর্ম দিয়ে মানুষ চেনা যায় মানুষ দিয়ে ব্যবহার বা কর্ম নয়। দুনিয়া কেবল অস্থায়ী জায়গা যারা এই কথাটি মনে প্রাণে বিশ্বাস করে তারা হয় সৎ আন্তরিক। এবং যারা সাদা কে সাদা আর কালোকে কালো বলে তারাই তো আলোকিত মানুষ।
মানবসেবা পৃথিবীর একটি মহৎ কাজ। সমাজে অনেকে নিজের অর্থসম্পদ এ কাজে বিলিয়ে দিয়েছেন। তেমনি গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন কর্ণধার কামরুল কায়েস চৌধুরী।
চট্টগ্রাম সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন যায়গায় দীর্ঘদিন গরীব অসহায় মানুষের জন্য বিভিন্ন মানবিক সহায়তা খাদ্য সামগ্রী, শিক্ষা, চিকিৎসা সহায়তা, অসহায় পরিবারের মেয়ের বিয়েতে আর্থিক সহায়তা, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন বিতরণ, ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ, পবিত্র রমজান মাসে ইফতারসামগ্রী বিতরণ, ঈদুল ফিতর, শারদীয়া দুর্গাপূজায় বস্ত্র বিতরণ, মিলাদ মাহফিল সহ অনেক মানবিক কার্যক্রম কর্মসূচি চলমান রয়েছে।
পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশনে তার ব্যাক্তিগত অর্থায়নে চট্টগ্রামে মানবিক কাজগুলো চলমান রেখেছেন, সুবিধা বঞ্চিত শিশু ও বয়স্কদের স্কুল নির্মাণ করেছেন।
পিস ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস চেয়ারম্যান কামরুল কায়েস চৌধুরীর সঙ্গে কথপোকথন হলে জনাব কামরুল কায়েস চৌধুরী বলেন, মহান আল্লাহ আঠারো হাজার মাখলুকাতের মধ্যে মানুষকে সর্বশ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন।
আর তাই মনুষ্যত্ব নিয়ে বেঁচে থাকতে পাড়া যে কোন মানুষের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। এবং প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। কিন্তু মানুষের মৃত্যু হলেও বেঁচে থাকে তার কর্মময় জীবন। ভালো কর্মের মধ্য দিয়ে যেমন মানুষের মনে বেঁচে থাকা যায় ঠিক তেমনি ওই মানুষগুলোর অন্তর থেকে আবার দোয়াও পাওয়া যায়। তাই ভালো কোন কাজ করতে পারলে নিজের অন্তর নামক বিবেকের মধ্যে অন্যরকম মানবিক শান্তি অনুভব করি এবং আমার প্রতিটি কাজকে সর্বোচ্চ সততা ও আন্তরিকতা এবং এবাদত মনে করে করে থাকি। প্রতিটি ভালো কাজ আমাকে এক অন্য রকম শান্তির অনূভুতি দেয় যা আমি বলে বোঝাতে পারবো না। এবং সব সময় চেষ্টা করবো এভাবেই মানবতার সেবায় কাজ করে যেতে ইনসাআল্লাহ্। সত্য ও সুন্দরের পথে প্রতিটি মানুষ থাকুক এবং মানবতার জয় হোক এটাই মন থেকে চাই।