শিরোনামঃ
তরুণ সমাজের স্বপ্নদ্রষ্টা মানবিক কামরুল কায়েস চৌধুরী আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের উদ্যোগে বিশেষ আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সারথি ২০০০ চট্টগ্রাম সংগঠনের পথচলার শপথ গ্রহণ নবনির্বাচিত সাংসদ আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ আফগানিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য উপমন্ত্রী ঢাকায় আবুল কালাম আযাদের আত্মসমর্পণের আবেদন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর ও জুলাই সনদের প্রতি ইতালির সমর্থন পদ্মা সেতুতে টোল থেকে আয় ৩ হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে কূটনীতিকদের পরিবার সাময়িক সরিয়ে নিচ্ছে ভারত ভেঙেই চলেছে রেকর্ড, ৪ হাজার ৮০০ ডলারের মাইলফলকে সোনার আউন্স
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বিদেশি পর্যবেক্ষকদের থাকা-খাওয়ার খরচ দিলে ভাড়াটে মনে হতে পারে : টিআইবির বিবৃতি

নিউজ ডেস্ক :: / ২২৮ Time View
বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬

আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সরকার বা নির্বাচন কমিশন বিদেশি পর্যবেক্ষকদের থাকা-খাওয়ার খরচ দিলে তাদের ভাড়াটে মনে হতে পারে বলে মন্তব্য করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। ইসির এ সিদ্ধান্তকে ‘নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ পরিপন্থি’ বলে মনে করে সংস্থাটি।

নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংসকারী কর্তৃত্ববাদী চর্চা অব্যাহত রেখে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের থাকা-খাওয়ার ব্যয়ভার বহনের যে সিদ্ধান্ত ইসি নিয়েছে, সেটিকে অপরিণামদর্শী, বৈষম্যমূলক ও স্বার্থের দ্বন্দ্বের কারণে নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষণ পরিপন্থি বলেও মন্তব্য করে টিআইবি।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সরব উপস্থিতি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধির ঠুনকো যুক্তিতে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের থাকা-খাওয়ার খরচ বহনের নির্বাচন কমিশনের অবিমৃশ্যকারী সিদ্ধান্ত হিতে বিপরীত হতে বাধ্য। অধিকন্তু এ সিদ্ধান্ত যে বৈষম্যমূলক, নির্বাচন কমিশন তা অনুধাবন করতে না পারায় আমরা বিস্মিত হয়েছি।

তিনি বলেন, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের থাকা-খাওয়ার খরচ বহন করতে পারলে দেশি পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা কেন প্রযোজ্য হবে না? এ প্রশ্নের জবাব নির্বাচন কমিশন কীভাবে দেবে। তাছাড়া এ সিদ্ধান্ত বলবৎ হলে বিদেশি পর্যবেক্ষকরা একদিকে সুযোগ-সুবিধা পাওয়া ভাড়াটে হিসেবে পরিগণিত হওয়ার যেমন ঝুঁকিতে থাকবেন, অন্যদিকে তারা নির্বাচন কমিশনের আতিথেয়তায় স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত থেকে কতটা স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচনকে মূল্যায়ন করতে সক্ষম হবেন, সে ব্যাপারে সন্দেহ রয়েছ।

‘মনে রাখতে হবে পর্যবেক্ষকরা নির্বাচন কমিশনের ভূমিকাও মূল্যায়ন করবে। এ কাজটি কমিশনেরই আতিথেয়তায় কতটুকু নিরপেক্ষ ও স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত হয়ে করতে পারবে—এ প্রশ্ন থেকেই যাবে।’

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, বিদেশি পর্যবেক্ষকদের কাছে আমাদের জিজ্ঞাসা, তারা কোন যুক্তিতে ইসি বা বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে এ ধরনের দায়িত্ব নিতে চাইবেন? তারা কি নৈতিকতার মানদণ্ড ও স্বার্থের দ্বন্দ্ব বিবেচনায় এরূপ আতিথেয়তা গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশন তথা সার্বিকভাবে নির্বাচনের বস্তুনিষ্ঠ, নির্মোহ, পক্ষপাতহীন ও স্বার্থের দ্বন্দ্বমুক্ত মূল্যায়ন সম্পন্ন করতে পারবেন? আমরা আশা করি, তারা ইসির এ ধরনের আতিথেয়তা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকবেন এবং তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।

২০০৮ বা তার আগে রাষ্ট্রের অর্থ অপচয় করে নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করার এমন প্রচেষ্টার দরকার হয়নি। ২০১৮২০২৪ সালে বিদেশিদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রয়োজন কেন হয়েছিল, নির্বাচন কমশিনকে সর্বপ্রথম এ বিষয়ে আত্মজিজ্ঞাসা করতে হবে উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, নির্বাচনকে বিশ্বাসযোগ্য করতে বিদেশি পর্যবেক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার বিগত সরকারের প্রচেষ্টা কতটুকু সার্থক হয়েছিল, আশা করছি বর্তমান নির্বাচন কমিশন তা উপলব্ধি করতে ব্যর্থতার পরিচয় দেবে না।

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ফলে জনমনে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার যে বিশাল আকাঙ্ক্ষার সৃষ্টি হয়েছে, তা বিতর্কিত করার পথ থেকে ইসি সরে আসবে বলে আমরা বিশ্বাস করি’—বিবৃতিতে উল্লেখ করে টিআইবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category